এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি, গজেন্দ্র সিং সাখাওয়াত, দর্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা প্রমুখ। ওই বৈঠক সেরে তিনি গতকাল সন্ধ্যার পর কলকাতায় আসেন দ্রৌপদী মুর্মু।

সন্ধ্যায় কলকাতার বিমানবন্দরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার আদিবাসীরা দ্রৌপদী মুর্মুকে স্বাগত জানান। আদিবাসীরা নাচগানে তাঁকে বরণ করে নেন।

১৮ জুলাই ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এবার মূলত লড়াই হবে বিজেপি–সমর্থিত এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু ও বিজেপিবিরোধী জোট প্রার্থী যশোবন্ত সিনহার।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী জোটের নেতারা সর্বজনগ্রহণযোগ্য একজন প্রার্থী দিতে চাইলেও কার্যত তা হয়নি। মমতাও চেস্টা করেছেন বিজেপিবিরোধী জোটের সর্বজনগ্রাহ্য একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে। কিন্ত তা সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত মমতার দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও রাজ্যসভার তৃণমূলের সংসদ সদস্য যশোবন্ত সিনহাকে মনোনয়ন দিয়েছেন মমতাসহ বিজেপিবিরোধী জোটের নেতারা। যশোবন্ত সিনহাও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

কলকাতার ইসকন মন্দিরের রথযাত্রার উদ্বোধন করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মমতা জানান, বিজেপি আগে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম জানালে বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা যেত। তবে জয়ের সম্ভাবনা বেশি এখন দ্রৌপদী মুর্মুরই। মমতা আরও জানান, তিনি বিজেপিবিরোধী জোটের প্রার্থী যশোবন্ত সিনহাকেই সমর্থন দেবেন।

মমতা বলেন, ‘সর্বসম্মতিতে বিজেপিবিরোধী জোটের প্রার্থী হলে দেশের পক্ষে ভালো হতো। আমারও সেই ইচ্ছা ছিল। একসময় পরমাণুবিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালাম প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি যখন আমাকে ফোন করেছিল, তখন শুধু তারা আমাদের মতামত জানতে চেয়েছিল। আমরা তো সব সময় আদিবাসী দলিতদের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছি এবং করছি।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন