বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোয়ার অনুষ্ঠানে প্রশান্ত বলেন, মোদি জিতুক বা হারুক, আগামী কয়েক দশক বিজেপি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে থাকবে। যেমন স্বাধীনতার পর ৪০ বছর কংগ্রেস ছিল ভারতের রাজনীতিতে। ভারতে যদি একবার কোনো দল ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে যায়, তাহলে ওই দলের দ্রুত প্রস্থানের সম্ভাবনা নেই। সর্বশেষ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৩৭ শতাংশের বেশি ভোট।

প্রশান্ত কিশোর আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এবার হয়তো মানুষ মোদিকে ফেলে দেবে। কিন্তু বিজেপি কোথাও যাচ্ছে না। তারা এখনো থাকবে এবং পরবর্তী কয়েক দশক ধরে লড়াই চালাবে।

প্রশান্তের ভাষ্য, মোদি ও বিজেপির শক্তি মূল্যায়নে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ভুল রয়েছে। সেই মূল্যায়নের ফল পেতে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ করে এই ভোট বিশেষজ্ঞ বলেন, আপনি যদি প্রতিপক্ষের শক্তি পরীক্ষা না করেন, তার শক্তি সম্পর্কে উপলব্ধি না করতে পারেন, তাহলে কখনো তাকে হারাতে পারবেন না।

প্রশান্তের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন,প্রশান্ত কিশোর এবার বিজেপির গুণগান গাইছেন। তিনি ভোটের ঠিকাদার। আগে মোদির হয়ে ভোট করেছেন। তারপর মমতার হয়ে ভোট করেছেন। আবার শুরু করেছেন মোদির গুণকীর্তন।

অধীর চৌধুরী আরও বলেন, যে যত বেশি টাকা দেবে, তাঁর পক্ষেই তিনি ভোট করবেন। নতুন করে টাকা নিয়ে এবার বিজেপিকে ভালো জায়গা করে দিতে চাইছেন। উনি একজন ব্যবসায়ী।

এ নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র সৌগত রায় বলেছেন, ‘প্রশান্ত কিশোর ভোটের ব্যাপারে খবর রাখেন। তাঁর সংস্থা আইপ্যাক আমাদের সাহায্য করে। তাঁর মন্তব্যকে ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। এটা তাঁর ব্যক্তিগত মন্তব্য। বিজেপিরও এত উদ্বেল হওয়ার কারণ নেই।’

এদিকে এ বিষয়ে বিজেপি মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, প্রশান্ত কিশোর ভোট নিয়ে ব্যবসা করেন। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও গোয়ার সব কটি আসনে মমতা জিতলেও মোদিকে হঠাতে পারবেন না। তবে প্রশান্ত কিশোর একটি সংগত কথাই বলেছেন, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কোনো দলই তৈরি হয়নি এখনো।
সবকিছুর মধ্যে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, শুধু ২০২৪ নয়, আগামী ১০ বছর বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে। মোদির জনপ্রিয়তাকে হারানো সহজ নয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন