default-image

ভারত সরকারের বিশেষজ্ঞ কমিটি জানিয়েছে, গত মার্চে গোটা ভারত যদি ‘লকডাউন’ না করা হতো তবে মৃতের সংখ্যা ২৫ লাখে পৌঁছে যেতে পারত। সরকারের হিসাব অনুসারে, এ পর্যন্ত ভারতে মারা গেছেন ১ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ।

ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের এই কমিটি জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। এ সময় পর্যন্ত ভারতে করোনায় সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা এক কোটি ছয় লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা কম। তবে করোনার সংক্রমণ ঠেকানোর ক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেগুলো অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে।

করোনাভাইরাসের মোট সংক্রমণের দিক থেকে ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। তবে দৈনিক সংক্রমণের হিসাবে সম্প্রতি প্রথম অবস্থানে চলে গেছে দেশটি। ভারতের এই বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ভি কে পল বলেন, ‘তিন সপ্তাহ ধরে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই কমেছে। কিন্তু আসন্ন শীতের মৌসুমে সংক্রমণে দ্বিতীয় ধাক্কার আশঙ্কাকে আমরা উড়িয়ে দিতে পারি না।’

বিজ্ঞাপন

এমন সময় বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য জানালেন যখন ভারতে মোট সংক্রমণ প্রায় ৭৫ লাখ। আর সুস্থ হয়েছেন ৬৫ লাখের বেশি মানুষ। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ রোববার জানিয়েছে, নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬১ হাজারের বেশি মানুষ।
ভারতে করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার হারও বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে দেশটিতে রোগী সুস্থ হওয়ার হার ৮৮ শতাংশের বেশি।

ভারতে সংক্রমণে শীর্ষে থাকা রাজ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কেরালা, তামিল নাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ, ছত্তিশগড়, ওড়িশা। নতুন সংক্রমিত রোগীর ৭৯ শতাংশই এই রাজ্যগুলোর।

মন্তব্য পড়ুন 0