বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী কেন্দ্র বারানসিতেও গিয়েছিলেন তিনি। এসব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, কৃষকদের অসম্মান করে প্রধানমন্ত্রী ও উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন। দেশের অন্নদাতাদের কষ্টে রেখে শাসক সুখে থাকতে পারবে না।

গত সপ্তাহে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার যেখানে বিজেপি নেতার গাড়িচাপায় চার কৃষক নিহত হন। ওই ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গড়ে তোলা হয় শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মঞ্চ। রাজ্য সরকার ও পুলিশের অসহযোগিতা সত্ত্বেও গতকাল লাখো মানুষ সেখানে জড়ো হন। প্রিয়াঙ্কা ছাড়া টিকুনিয়া গ্রামে (ঘটনাস্থল) উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম উত্তর প্রদেশের জাট নেতা রাষ্ট্রীয় লোকদলের সভাপতি জয়ন্ত চৌধুরী, সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতা রাকেশ টিকায়েতসহ অনেকে।

নিহত কৃষকদের পাশাপাশি ওই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা জানানো হয় নিহত সাংবাদিকের প্রতিও। নিহত সেই সাংবাদিকের পরিবার কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন।
কৃষকনেতারা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পদত্যাগের দাবিতে এখনো অটল।

কিন্তু বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে রাজি নয়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথও প্রমাণ ছাড়া কাউকে শাস্তি দিতে নারাজ। উত্তর প্রদেশের রাজনীতির মূল আকর্ষণ এখন এই কৃষক আন্দোলন।

সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে মন্ত্রীপুত্র আশিস মিশ্রকে রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়েছে। রাজ্য পুলিশ হেফাজতে তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। অভিযোগ, মন্ত্রীর যে গাড়ি কৃষকদের চাপা দিয়ে মেরে ফেলে, মন্ত্রীপুত্রই তা চালাচ্ছিলেন। পুলিশের কাছে এ বিষয়ে স্পষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হলেও সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। রাজ্য বিজেপি ও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখনো এ বিষয়ে মুখ খোলেনি।

এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসও চাপ বাড়াচ্ছে। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতারা আজ বুধবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করে লখিমপুর–কাণ্ড ও কৃষক আন্দোলন নিয়ে এক স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানা গেছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন