বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন এমন শ্রদ্ধা? আবার কেনই–বা হস্তীশাবকের এই নামকরণ? তা জানিয়েছেন শিভামোগা বন্য প্রাণী বিভাগের উপ–বনসংরক্ষক নাগরাজ। তিনি বলেন, মৃত্যুর আগে অক্টোবরের প্রথম দিকে বন বিভাগের তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজে পুনিত রাজকুমার হাতিদের আবাসস্থলে সেকরিবাইলুতে এসেছিলেন। তিনিসহ অন্য অভিনেতা ও কলাকুশলীরা এখানে দুই দিন অবস্থান করেন।

নাগরাজ বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে শিবিরের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা সবাই খুবই ভেঙে পড়েন। এর পরপরই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুনিত রাজকুমার তাঁর সফরের সময় হস্তীশাবকটির সঙ্গে খেলা করেছিলেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি আবার এখানে আসবেন।’

পুনিত রাজকুমার জনপ্রিয় অভিনেতা, গায়ক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও প্রযোজক ছিলেন। গত ২৯ অক্টোবর মাত্র ৪৬ বছর বয়সে তিনি হৃদ্‌রোগে মারা যান। শুধু অভিনেতা হিসেবেই নন, একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবেও কর্ণাটকে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন পুনিত রাজকুমার। ৪৫টি স্কুল, ২৬টি অনাথ আশ্রম আর ১৬টি বৃদ্ধাশ্রম চালাতেন পুনিত। এ ছাড়া পুনিতের কাঁধে ছিল ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর ভার। যাদের পড়ালেখার খরচ দিতেন তিনি। ক্ষণজন্মা এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে আছে আরাসু, মিলানা, ভামসি, জ্যাকি, হুডুগারু, আনা বন্ড, রাজাকুমারা ইত্যাদি। পুনিতের বাবা ভারতের বিখ্যাত অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী রাজকুমার। তাঁর বড় ভাই শিব রাজকুমারও কন্নড় ছবির জনপ্রিয় নায়ক।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন