বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক বিবৃতিতে আসাম রাইফেলস বলেছে, ৪৬ আসাম রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল ভিপ্লভ ত্রিপাঠিসহ পাঁচ সেনাসদস্য দায়িত্ব পালনের সময় জীবন উৎসর্গ করেছেন। কমান্ডিং অফিসারের স্ত্রী ও সন্তানও প্রাণ হারিয়েছেন।

কোনো গোষ্ঠী এখনো এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে মনিপুরভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এই হামলার পেছনে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, ওই এলাকায় সক্রিয় অন্তত চারটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এই হামলায় জড়িত। সেনাবাহিনীর গাড়িবহর লক্ষ্য করে প্রথমে শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন। সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং জানিয়েছেন।

ভারতের অন্যান্য উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের মতো মনিপুরেও বেশ কয়েকটি সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সক্রিয় রেয়েছে। চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভুটানের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে এই রাজ্যের। সীমান্তে সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে কয়েক দশক ধরে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে রেখেছে ভারত।

এর আগে ২০১৫ সালে মনিপুরে সন্ত্রাসী হামলায় ২০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছিলেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন