বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাঞ্জাব বিধানসভার ভোটের বাকি মাত্র পাঁচ মাস। আগামী মার্চ মাসে ভোট হওয়ার কথা। তার আগেই সিধুর প্রথম বিদ্রোহ। সেই বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সিধুকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানত রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার চাপে সোনিয়া মুখ্যমন্ত্রী বদলের সিদ্ধান্ত নেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী করা হয় দলিত নেতা চরণজিৎ সিং চান্নিকে। সে সময় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেছিলেন, কংগ্রেস মারাত্মক ভুল করল। সিধু ভরসা করার মানুষ নন। পাঞ্জাবের মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যে সিধুকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত হবে না। কারণ, উনি স্থিতিশীল নন। গতকাল সিধুর পদত্যাগের পর সেই অমরিন্দর বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম। এখন প্রমাণ হলো আমি কতটা নির্ভুল ছিলাম।’

মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে ক্ষমতার লড়াই থামাতে গত ১৫ জুলাই সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব মেটেনি। এরপর অমরিন্দর মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিলে সিধু ভেবেছিলেন তাঁকেই সেই পদে বসানো হবে। কিন্তু কংগ্রেস নেতৃত্ব বেছে নেয় দলিত বিধায়ক চান্নিকে।

সিধু কেন পদত্যাগ করলেন, তা নিয়ে রাজধানীতে জল্পনা চলে দিনভর। কোনো কোনো মহলের ধারণা, সুখজিন্দর সিং রণধাওয়াকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে মেনে নিতে পারেননি সিধু। রণধাওয়াও সিধুর মতো জাট শিখ। সিধু মনে করছেন, রণধাওয়াকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে তাঁকে চাপে রাখার জন্য। তা ছাড়া নতুন ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গড়ার আগে তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি বলেও সিধু শিবিরের অভিযোগ। সব মিলিয়ে ভোটের আগে পাঞ্জাবে কংগ্রেসের অবস্থা যথেষ্ট নড়বড়ে। এই অবস্থায় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং গতকাল দিল্লি এসেছেন। পদত্যাগের পর তিনি প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, রাজনৈতিক বিকল্প খোলা রাখছেন। অমরিন্দর এখন অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেন কি না এবং সিধুর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, রাজধানীতে সেটাই এই মুহূর্তের বড় জল্পনা।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন