বিহারের বিক্রমগঞ্জে এ ঘটনা ঘটেছে গত শুক্রবার। তবে পুরো সেতুটি যে এক দিনে ভেঙে নেওয়া হয়েছে, এমনটা নয়। দুর্বৃত্তরা পিকআপ ভ্যান, গ্যাস ব্যবহার করে ধাতব পদার্থ কাটার যন্ত্র ও অন্যান্য যন্ত্র নিয়ে বিক্রমগঞ্জে যান। তারপর তাঁরা সরকারের সেচ দপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁরা তিন দিন ধরে ওই সেতুটি কেটে টুকরা টুকরা করেন। এরপর সেগুলো নিয়ে সটকে পড়েন।

এ প্রসঙ্গে বিহারের সেচ দপ্তরের প্রকৌশলী আরশাদ কামাল শামশি বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, ওই গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা তাঁকে জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তিরা নিজেদের সেচ দপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর একটি খালের ওপর থাকা পুরো সেতুটি খুলে নিয়ে যান।

প্রকৌশলী আরশাদ কামাল বলেন, এ ঘটনার পর সেখানে থানায় অভিযোগ (এফআইআর) করা হয়েছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বিক্রমগঞ্জের সেতুটি ১২ ফুট প্রস্ত। সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭২ সালে। আরব নিউজ–এর খবরে বলা হয়েছে, সেতুতে ব্যবহৃত লোহার ওজন প্রায় ৫০০ টন।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সেখানকার স্থানীয় এক কর্মকর্তা বলেছেন, ভারী যান ব্যবহার করে ওই সব লোহা নিয়ে গেছেন দুর্বৃত্তরা। ৫০ বয়সী ওই সেতুর কাছে একই খালের ওপর আরেকটি সেতু ইতিমধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ বছর আগে নতুন সেতুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।