default-image

পশ্চিমবঙ্গের চাঞ্চল্যকর সারদা অর্থ কেলেঙ্কারি মামলায় আসন্ন দুর্গাপূজার আগেই চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিচ্ছে তদন্ত সংস্থা সিবিআই।

আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগেই সারদা মামলায় চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা ঘোষণায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছে, তবে কি এবার রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সারদা মামলাকে অস্ত্র করছে?

বিজ্ঞাপন

২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর সাত বছরে বিভিন্ন সময় ছয়টি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এবার দেওয়া হবে চূড়ান্ত বা শেষ অভিযোগপত্র। সিবিআই দপ্তর থেকে এই অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সিবিআই সূত্রে বলা হয়, চূড়ান্ত অভিযোগপত্রে ছয়জনের নাম থাকতে পারে। তাঁদের মধ্যে একজন আইপিএস কর্মকর্তাও থাকতে পারেন। সাক্ষী হিসেবে থাকতে পারে একজন বিজেপি নেতার নাম। থাকতে পারে একজন সাবেক মন্ত্রীর নামও।

বিজ্ঞাপন

২০১৩ সালে ফাঁস হয় সারদার আর্থিক দুর্নীতির ঘটনা। সারদা মামলায় সাড়ে ১৭ লাখ ক্ষুদ্র আমানতকারীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।

সারদা গোষ্ঠীর বিভিন্ন প্রকল্পের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে ৩৮৫টি এফআইআর দায়ের হয়।

এই সংস্থার সব ব্যবসা আটকে দেওয়া হয়। মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, পরিচালক দেবযানী মুখার্জি, সারদার মিডিয়া সেলের প্রধান ও তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ, তৃণমূল সাংসদ সৃঞ্জয় বোস, তৃণমূল বিধায়ক ও মন্ত্রী মদন মিত্র, কলকাতা পুলিশের সাবেক মহাপরিচালক রজত মজুমদার প্রমুখ অন্যতম। সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন সেই থেকে এখনো কারাগারে বন্দী। কুণাল ঘোষ, সৃঞ্জয় বোস, মদন মিত্ররা অবশ্য পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

পশ্চিমবঙ্গের সাড়া–জাগানো দুটি আর্থিক কেলেঙ্কারির একটি সারদা মামলা। অন্যটি রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলা। সারদা ২১ হাজার কোটি রুপির আর্থিক দুর্নীতির মামলা। রোজভ্যালির ৬০ হাজার কোটি রুপির দুর্নীতি মামলা। এই দুটি মামলায় জড়িয়ে পড়েন পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূলের বেশ কজন নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়ক।

মন্তব্য পড়ুন 0