বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি এলাকা ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলেমিটার করার নির্দেশনা জারি করে। গতকাল মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ভোটাভুটিতে বিএসএফের নজরদারির এখতিয়ার বাড়ানোর প্রস্তাব খারিজ হয়। আজ বুধবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার লর্ড সিনহা রোডে বিএসএফের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ওয়াই বি খুরানিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ায়নি।

ওয়াই বি খুরানিয়া বলেন, তাদের নজরদারির এলাকা বাড়ানো হলেও বাকি সবকিছু একই থাকবে। বিএসএফের কাজ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের কাজ নয়। তাই নজরদারি বাড়ানো হলেও তাদের ক্ষমতা বাড়ছে না। এ ছাড়া বিএসএফের এফআইআর বা মামলা করারও ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে খুরানিয়া বলেন, বিএসএফ যেভাবে সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত, ভবিষ্যতেও সেভাবেই থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার নজরদারি এলাকা বাড়ালেও তাদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে বিএসএফ অতীতে সীমান্তে যেভাবে কাজ করে আসছে, এখনো সেভাবেই কাজ করবে।

গত ১১ অক্টোবর ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিএসএফের এখতিয়ার এলাকা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বর্ধিত করে। এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চুন্নী। মমতা ও চরণজিৎ সিং এই প্রস্তাব খারিজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন