বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনার দিন মেয়েটির মা এক ঘণ্টার জন্য ঘরের বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি বাজার থেকে ঘরে ফিরে তাঁর মেয়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তরুণ স্বীকার করেছেন যে মেয়েটির সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিনি মেয়েটিকে হয়রানি করেছিলেন।

তরুণের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ থেকে শিশু সুরক্ষাসংক্রান্ত আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মেয়েটির কক্ষে একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) পাওয়া যায়। এতে মেয়েটি লিখেছে, তার স্কুলও নিরাপদ নয়। শিক্ষকদের বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি সে স্বপ্নেও মানসিক নির্যাতন দেখতে পেত। এ কারণে সে পড়াশোনা বা ঘুমাতে পর্যন্ত পারত না।

মেয়েটি চিরকুটে লিখেছে, মেয়েদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করার বিষয়টি প্রত্যেক মা-বাবাকে তাঁদের সন্তানদের, বিশেষ করে ছেলেসন্তানদের শেখানো উচিত।

মেয়েটির চিরকুটে তিনটি সম্ভাব্য হয়রানির কথা উল্লেখ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে চিরকুটে লেখা হয়েছে ‘আত্মীয়, শিক্ষক, সবাই।’

চিরকুটে আরও লেখা রয়েছে, ‘যৌন হয়রানি বন্ধ করুন।’

‘আমার জন্য ন্যায়বিচার’ দিয়ে চিরকুটটি শেষ করা হয়েছে।

মেয়েটির আত্মহত্যার ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ। তার চিরকুটের ভিত্তিতে পুলিশ খতিয়ে দেখছে যে মেয়েটি অন্য আরও কারোর দ্বারা যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিল কি না।

গত কয়েক সপ্তাহে যৌন হয়রানির কারণে তামিলনাড়ুতে আরও চারটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটির ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন