বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্বভ্রমণের শুরু

মিসর দিয়ে ২০০৭ সালে এই দম্পতির বিশ্বভ্রমণ শুরু। প্রথমবার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ভ্রমণে গিয়েছিলেন। চা বিক্রি করে দিনে সাকুল্য ৩০০ রুপির উপার্জন তাঁদের। সেখান থেকে অর্থ বাঁচিয়ে ঋণ শোধ করেন তাঁরা। এরপর সফরের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, ততই বেড়েছে ঋণ। তবে বেশি দিন ঋণ নিতে হয়নি।

দুনিয়া ঘুরে দেখার শখের কারণে ওই দম্পতির সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। গণমাধ্যমে শিরোনাম হওয়ার পর অনেকে এগিয়ে আসেন, তাঁদের বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। এরপর এ নিয়ে তাঁদের আর ভাবতে হয়নি। পৃষ্ঠপোষকদের অর্থেই তাঁরা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও রাশিয়া ঘুরে এসেছেন।

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর

বিজয়ন মনে করতেন জীবন হলো অনেকগুলো সফরের সমষ্টি। তবে এই দম্পতি যে শুধু দেশ ঘুরে বেড়াতেন তাই নয়। সিঙ্গাপুর সফরে গিয়ে এক ভ্রমণ সংস্থার অফিস উদ্বোধন করেছিলেন তাঁরা। ওই ভ্রমণ সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন বিজয়ন। সেখান থেকেই কিছু আর্থিক সংকুলান হতো তাঁদের।

২০২০ সালে বিজয়ন ও মোহানা দম্পতির একটি বই প্রকাশিত হয়। তাঁদের বইয়ের নাম ‘দ্য গ্লোবাল টুরস অব বিজয়ন অ্যান্ড মোহানা বাই সেলিং টি’।

default-image

বিজয়নের মৃত্যুতে শোক

বিজয়নের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে ভারতের পর্যটন বিভাগ। টুইটারে বিজয়নের ছবি পোস্ট করে পর্যটন বিভাগ লিখেছে, ‘নিরহংকার এক ভ্রমণকারী তাঁর শেষ যাত্রা শুরু করলেন।’ লেখক এন এস মাধবন বিজয়ন দম্পতির দোকানে কাটানো সময়ের কথা স্মরণ করে তাঁদের ভ্রমণের গল্প উপভোগ করার কথা লিখেছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন