জেরোধার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিতিন কামাথ টুইটবার্তায় বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী শারীরিকভাবে আনফিট হয়ে গেছেন। এই উদ্যোগ নেওয়ার পেছনে ওই বিষয়টি কাজ করেছে। নিতিন কামাথ বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধের কারণে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার, কাজ ও জীবনে ভারসাম্যের অভাব তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রথম বিধিনিষেধের পর সবার মতো পুরো জেরোধা টিমও সম্ভবত সবচেয়ে আনফিট হয়ে পড়ে। এর পেছনে শারীরিক পরিশ্রম না থাকা, অনিয়ন্ত্রিত কর্মজীবন ও বাজে খাদ্যাভ্যাসসহ আরও অনেক কারণ রয়েছে।

কামাথ বলেন, টিমের সদস্যরা কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন, সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনার পরে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা দেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ ফোরামে আমরা প্রত্যেক কর্মীর স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য এক বছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। জবাবদিহির জন্য প্রতি মাসের অগ্রগতি জানাতে বলা হয়েছে। অংশগ্রহণ বাড়াতে আমরা সবাইকে লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে বলেছি।’

এই ঘোষণাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী অনেকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন টুইটার ব্যবহারকারী এ উদ্যোগকে ‘দারুণ পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। অপর একজন বলেন, ‘আশা করছি, আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কর্মীদের সুস্থতার বিষয়ে কোম্পানির এ ধরনের পদক্ষেপ খুশি হওয়ার মতো বিষয়। প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার পরিবর্তে এটা সঠিক একটা পদক্ষেপ।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন