নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁগুলোতে ক্রেতাদের কাছ থেকে কোনো নামে বাড়তি বকশিশ নেওয়া যাবে না। যাঁরা বকশিশ দিতে চাইবেন না, তাঁদের রেস্তোরাঁয় আসতে বাধা দেওয়া যাবে না।

রেস্তোরাঁগুলোয় বকশিশ দেওয়া নিয়ে কয়েক বছর ধরে ভারতে আলোচনা চলছিল। গ্রাহকেরা অভিযোগ তুলেছিলেন, তাঁদের কাছ থেকে যে বাড়তি অর্থ আদায় করা হবে, তা আগে থেকে জানানো হয় না।

২০১৭ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ভোক্তা অধিকার বিভাগ একটি নির্দেশনা জারি করে। তাতে বলা হয়, গ্রাহকেরা মেনু কার্ডের পণ্যের দাম ও সরকারি শুল্ক ছাড়া বাড়তি কোনো অর্থ পরিশোধ করবেন না।

ভোক্তা অধিকার বিভাগ বলছে, বকশিশ দেবেন কি না, সেটা গ্রাহকের ইচ্ছা–অনিচ্ছার বিষয়। অনুমতি ছাড়া বাড়তি মূল্য পরিশোধে গ্রাহকদের বাধ্য করাটা ‘বেআইনি ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের শামিল।’

এসব না করে বরং কর্মীদের ন্যায্য বেতন ও পণ্যের দাম বাড়ানোর উপায় বাতলে দিয়েছে ভারত সরকার।

গত মাসে ভারতের রেস্তোরাঁমালিকদের সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করে সরকার। বৈঠকে বলা হয়, গ্রাহকদের কাছ থেকে অভিযোগ আসছে যে রেস্তোরাঁগুলো সার্ভিস চার্জের নামে বাড়তি অর্থ পরিশোধে বাধ্য করছে। অনেক সময় এর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। বাড়তি অর্থ পরিশোধ না করতে চাওয়ায় গ্রাহকদের হেনস্তা করা হচ্ছে। সম্প্রতি গ্রাহকদের কাছ থেকে এমন অভিযোগের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন