default-image

করোনার মরণ ছোবলে এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কলকাতার লোকাল ট্রেন; সেই সঙ্গে মেট্রোরেল বা পাতালরেলও। রেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কলকাতার লাখো অফিসযাত্রীসহ জীবন–জীবিকার জন্য যাঁরা প্রতিদিন ছোটেন মেট্রোরেল ও বিভিন্ন লোকাল ট্রেনে, তাঁরা আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। তাঁরাই এবার দাবি তুললেন মেট্রোরেল ও লোকাল ট্রেন চালুর।

এই দাবির প্রতি সাড়া দিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে করোনার নিয়মবিধি মেনে চালু করা হয় কলকাতার মেট্রোরেল। এরপরই কলকাতার লোকাল ট্রেন চালানোর জোর দাবি ওঠে। এই দাবির প্রতি সায় দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। তারাও দাবি তোলে অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর। এরপরই এই দাবির প্রতি সায় দেয় কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রণালয়। গোটা রেলব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

বিজ্ঞাপন

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রণালয় অবশেষে সম্প্রতি সায় দেয় কলকাতার লোকাল ট্রেন চালানোর। এই লক্ষ্য নিয়ে ১১ নভেম্বর থেকে কলকাতার লোকাল ট্রেন চলাচল করার ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়।

তাই দীর্ঘ ২৩২ দিন পর ফের কলকাতায় চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে বাড়ানো হচ্ছে কলকাতার মেট্রো ট্রেনের সংখ্যাও। রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার হাওড়া, শিয়ালদহ, কলকাতা স্টেশন এবং সাঁতরাগাছি থেকে প্রতিদিন ৯১৩টি লোকাল ট্রেন চলাচল করত। এবার ওই সব রেলপথে চলাচল করবে ৪১৩টি ট্রেন। তবে ব্যস্ত সময়ে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

অন্যদিকে ১১ নভেম্বর থেকে কলকাতার মেট্রো ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। এখন দিনে চলে ১৫২টি মেট্রো ট্রেন, বাড়িয়ে চলবে ১৯০টি। আগে ব্যস্ত সময়ে ১০ মিনিট অন্তর ট্রেন চলত। এবার তা চলবে প্রতি ৭ মিনিট অন্তর। এবারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে প্রতিটি যাত্রীকে মাস্ক পরে ট্রেনে উঠতে হবে। বসতে হবে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে।

মন্তব্য পড়ুন 0