যুক্তরাষ্ট্র দেশগুলোর মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতা আশা করছে, বিশেষ করে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। এটি এ অঞ্চলে ইসরায়েলের অবস্থানকে আরও সংহত করবে এবং ইরানকে একঘরে করে ফেলবে।

এ উদ্যোগ প্রভাবশালী সৌদি আরবসহ ইসরায়েলের সঙ্গে আরও আরব দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আভাসও বটে। এর আগে ২০২০ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন।

ইসরায়েলি আইনপ্রণেতাদের ব্রিফ করার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ জোটের নাম ‘মধ্যপ্রাচ্য আকাশ প্রতিরক্ষা জোট’ বলে জানান। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা শুরু হয়ে গেছে।

দাপ্তরিক বিবৃতিতে বেনি গানৎজকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘গত বছরজুড়ে আমি পেন্টাগন ও মার্কিন প্রশাসনে আমাদের অংশীদারদের নিয়ে বিস্তৃত একটি কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলাম। এটি ইসরায়েল ও এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করবে।’

এতে বলা হয়, ‘এ কর্মসূচি ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। এটি ইসরায়েল ও অন্যান্য দেশে ইরানের হামলার প্রচেষ্টা ইতিমধ্যেই সফলভাবে ঠেকিয়ে দিতে সাহায্য করেছে।’

এ বিবৃতিতে সহযোগী দেশগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ঠেকিয়ে দেওয়া হামলার বিষয়েও আর কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া জোট গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

এ বিষয়ে জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বক্তব্য চাইলেও তাৎক্ষণিক তারা কোনো জবাব দেয়নি। নাম না প্রকাশ করার শর্তে রয়টার্সকে ইসরায়েলি এক কর্মকর্তা বলেন, একই ধরনের প্রকাশ্য যন্ত্রপাতি ও স্থাপনা ব্যবহারের পরিবর্তে সহযোগী দেশগুলো দূরবর্তী ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজ নিজ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সমন্বিতভাবে পরিচালনা করছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন