যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেটের অনুমোদন পেলেই গত তিন দশকের মধ্যে প্রথম পেশাদার কোনো কূটনীতিক হিসেবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত হবেন র‌্যাটনি। এর আগে তিনি জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত ছিলেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তিতে ফেরা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে চিড় দেখা দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় জ্বালানি–সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে আরও বেশি তেল উৎপাদনের জন্য অনুরোধ করছে। কিন্তু সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

মাইকেল র‌্যাটনি আরবি ও ফ্রেঞ্চ ভাষা জানেন। এর আগে তিনি দোহায় মার্কিন দূতাবাসে ডেপুটি চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া মেক্সিকো সিটি, বাগদাদ, বৈরুত, কাসাব্লাঙ্কা, ব্রিজটাউন ও ওয়াশিংটনে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদির সম্পর্কে ফাটল ধরে। এ ছাড়া ২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নাম আসার ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হয়। অবশ্য সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার অনুমোদন–সম্পর্কিত বিষয়টি সৌদি আরব অস্বীকার করে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন