বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তালেবানের এ সরকার প্রসঙ্গে ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে যদি সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করা সম্ভব না হয়, তবে সেখানকার পরিস্থিতি দিন দিন গৃহযুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে। এর প্রভাব পাকিস্তানের ওপরেও পড়বে।

ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে মানবিক ও শরণার্থী সংকট দেখা দেবে। এ ছাড়া তখন আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। পাকিস্তানের উদ্বেগ এসব নিয়ে। কারণ, এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাঁর সরকারকে। তিনি আরও বলেন, এর অর্থ হলো আফগানিস্তানে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অথবা সংঘাত চললে আফগানিস্তান সন্ত্রাসীদের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান হবে। আর সেটাই আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। দ্বিতীয়ত, সেখানে মানবিক সংকট বা গৃহযুদ্ধ দেখা দিলে তা আমাদের জন্য শরণার্থী সংকট ডেকে আনবে।’

এদিকে সবার অংশগ্রহণে ইমরান খান সরকার গঠনের কথা বললেও তা আগেই নাকচ করে দিয়েছে তালেবান। তালেবান নেতা মোহাম্মদ মোবিন আগেই বলেছেন, এমন সরকার গঠনের আহ্বান জানানোর এখতিয়ার কারও নেই। গত মঙ্গলবার আফগানিস্তানের অরিয়ানা টিভিকে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের মতো আমরাও স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার অধিকার রয়েছে।’

এদিকে বর্তমান আফগান সরকারের স্বীকৃতি নিয়ে কথা বলেছেন দেশটি তথ্য উপমন্ত্রী জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ সরকারের স্বীকৃতি মিললেই কেবল আফগানিস্তানে মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে ভাবা হবে।

এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ছিল তালেবান। সে সময় হাতে গোনা যে কয়টি দেশ তাদের স্বীকৃতি দিয়েছিল, তার মধ্যে ছিল পাকিস্তান। তবে এবার তালেবান সরকার গঠনের পর আর আগের পথে হাঁটেনি দেশটি।

তালেবানের নতুন সরকারকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি তারা। তালেবানকে স্বীকৃতির জন্য আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন পাকিস্তানের নেতারা।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন