বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হয়, এনএসসি রাষ্ট্রদূতের পাঠানো ‘তারবার্তার বিষয়বস্তু’ খতিয়ে দেখেছে। সর্বশেষ বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছে এনএসসি। এতে বলা হয়, প্রধান নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এনএসসি আবারও অবহিত হয়েছে যে তারা কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের কোনো তথ্যপ্রমাণ পায়নি। কোনো বিদেশি ষড়যন্ত্র হয়নি—সভা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

জাতীয় পরিষদে বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা ভোটে হেরে ৯ এপ্রিল ক্ষমতাচ্যুত হন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রের’ মাধ্যমে তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে বলে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদের পাঠানো ‘তারবার্তাকে’ প্রমাণ হিসেবে জনসম্মুখে আনেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

এই তারবার্তা নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠকে বসল এনএসসি। মার্চের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ‘পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের’ ঘটনায় একটি দেশকে ‘কড়া কূটনীতিক প্রতিবাদ’ পাঠানো হবে। তবে এতে দেশটির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তবে গত বৈঠকে এ হস্তক্ষেপকে ষড়যন্ত্র বলা থেকে বিরত ছিল এনএসসি। অবশ্য এ ধরনের হস্তক্ষেপ ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে অগ্রহণযোগ্য’ বলে এতে মত দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে শুক্রবারের এনএসসি বৈঠকে পিটিআইয়ের অবস্থানই শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি করেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পিটিআই ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কোরেশি। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে মার্চে অনুষ্ঠিত বৈঠকের মতামতকেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিলাওয়াল ও মারিয়াম এই ডকুমেন্টকে বানোয়াট বলেছিলেন, যেটা নাকি অবাস্তব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তুত করা ছিল।

সাবেক রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে ব্রিফিং নেওয়ার পর এনএসসি এই নথি অনুমোদন করেছে। এতে প্রমাণিত হয়, এটা ছিল বাস্তব এ সঠিক।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন