default-image

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–সম্পর্কিত একটি ‘অননুমোদিত’ পোস্ট রিটুইট করে তোপের মুখে ক্ষমা চেয়েছে ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস। তবে তা নাকচ করেছে ইমরানের দল পিটিআই। আজ বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের দ্য ডন ও দ্য নিউজ অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস গতকাল বুধবার ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমা চায়। তবে পিটিআই বলছে, মার্কিন দূতাবাসের এই ব্যাখ্যা ও ক্ষমাপ্রার্থনা যথেষ্ট নয়।

ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছে। তারা বলেছে, দূতাবাসের টুইটার অ্যাকাউন্টে অনুমোদন ছাড়া প্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল। রাজনৈতিক বার্তা পোস্ট বা রিটুইট মার্কিন দূতাবাস অনুমোদন করে না। অননুমোদিত পোস্টের কারণে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে তার জন্য দূতাবাস ক্ষমা চায়।

গত মঙ্গলবার পিএমএল-এন নেতা আহসান ইকবালের একটি টুইটার পোস্টকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। তিনি তাঁর টুইটারে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার একটি নিবন্ধের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। ওই নিবন্ধের শিরোনামে বলা হয়, ট্রাম্পের পরাজয় বিশ্বের বক্তৃতাবাগীশ ও স্বৈরশাসকদের জন্য একটি ধাক্কা।

default-image
বিজ্ঞাপন

স্ক্রিনশট শেয়ার করে ইকবাল লেখেন, পাকিস্তানেও একজন আছেন। শিগগিরই তাঁকে বিদায়ের পথ ধরিয়ে দেওয়া হবে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ইঙ্গিত করে ইকবাল ওই কথা লিখেছেন বলে মনে করা হয়।

ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাসের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ইকবালের টুইটটি রিটুইট করা হয়। এ ঘটনায় পাকিস্তান সরকার ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাসকে কূটনৈতিক নিয়মনীতি মানতে ও ক্ষমা চাইতে বলা হয়।

পরে দূতাবাস টুইটটি মুছে দেয়। এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেয়। ক্ষমা চায়। তবে তাতে পাকিস্তান সরকার বা ইমরানের দল সন্তোষ নয় বলেই মনে হচ্ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0