তবে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখারের মন্তব্যের সঙ্গে শিরিন মাজারির এমন দাবি সাংঘর্ষিক।

বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ সম্মেলন করেন জেনারেল বাবর ইফতিখার। তখন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় যে ইমরান খান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। জেনারেল বাবর ইফতিখার তা প্রত্যাখ্যান করে উল্টো দাবি করেন বরং প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে একটি সমাধান খোঁজার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

জেনারেল ইফতিখার বলেন, ‘এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরস্পরের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তাই সেনাপ্রধান ও আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান এবং সেখানে গিয়ে তাদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য তিনটি অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

জেনারেল ইফতিখার আরও বলেন, ‘তৃতীয় উপায়টি বেছে নেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পক্ষে বিরোধীদের সঙ্গে তিনি আমাদের কথা বলতে বলেন। তাই সেনাপ্রধান বিরোধীদের কাছে যান এবং তাদের এই প্রস্তাব দেন। আলোচনার পর বিরোধীরা বলে তারা এমন কিছু করতে চায় না বরং পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার কথা বলে বিরোধীরা।’

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন