default-image

ব্রিটিশ নাগরিক আহমদ ওমর সাইদ শেখকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে বিশ্রামাগারে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। মার্কিন সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সাইদের বিষয়ে মঙ্গলবার এ আদেশ দেওয়া হয়। এ আদেশের মধ্য দিয়ে ওমর শেখের মুক্তির আদেশ বহালই রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের রিভিউ প্যানেল।

বিচারক ওমর আতা বান্দিয়াল বলেন, ওমর শেখকে মুক্তির আগে কারাগার থেকে একটি বিশ্রামাগারে নেওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আদালত বলেছেন, দুই দিনের মধ্যে ওমরকে আরামদায়ক এমন স্থানে নিতে হবে, যেখানে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত থাকতে পারবেন। তবে সেখানে মোবাইল বা ইন্টারনেটের ব্যবস্থা রাখা যাবে না। কিন্তু ওমর শেখের পরিবারের যাতায়াত ও আনুষঙ্গিক খরচ বহন করবে রাষ্ট্র।

ওমর শেখের বাবা সাইদ শেখ রয়টার্সকে বলেন, তাঁর ছেলের এই মুক্তির আদেশ পরিপূর্ণ স্বাধীনতা নয়, এটা স্বাধীনতার পথে একধাপ মাত্র।

বিজ্ঞাপন

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) ওমর শেখের মুক্তির আদেশ বহাল রেখেছিলেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চের দুই বিচারক। পরবর্তী সময়ে শুক্রবার ওই আদেশের বিপক্ষে আপিল করে সিন্ধু প্রাদেশিক সরকার। ওমর শেখের এই মুক্তির আদেশে ইতিমধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বৃহস্পতিবার ডেনিয়েলের পরিবার পাকিস্তানের আদালতের ওই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক বিচার’ বলে মন্তব্য করে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান সরকারের প্রতি মুক্তির ওই রায়ের বিকল্প আইনি বিষয়গুলো পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছিল।

২০০২ সালে করাচিতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোপ্রধান পার্লকে (৩৮) অপহরণ শেষে করাচিতে শিরশ্ছেদ করা হয়। জঙ্গিদের নিয়ে তিনি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছিলেন। এক মাস পর পার্লের শিরশ্ছেদের একটি ভিডিও মার্কিন কনস্যুলেটে পাঠানো হয়েছিল। ২০০২ সালেই আহমেদ ওমর সাইদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন