সূত্রগুলো বলছে, পিএমএল-এন থেকে খাজা আসিফ, সাদ রফিক, খুররম দস্তগির, আহসান ইকবাল, মরিয়ম আওরঙ্গজেব, শায়েস্তা পারভেজ মালিক, রানা সানাউল্লাহ ও মুর্তজা জাভেদ মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহসিন দাওয়ার ও আসলাম ভুটানি এবং পিএমএল-কিউয়ের তারিক বাশির চিমারও মন্ত্রিসভায় থাকার কথা শোনা যাচ্ছে।

সম্ভাব্য নামগুলোর মধ্যে সিনেটের নেতা আজম নাজির তারার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। সিনেট থেকে শেরি রেহমান অথবা মুস্তফা নওয়াজ খোখার মধ্যে একজনকে মন্ত্রিত্ব দিতে পারে পিপিপি।

বিলাওয়াল ভুট্টোকে পাকিস্তানের পরবর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবেচনা করা হচ্ছে। শাহজিয়া মুরির নামও মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। গত সপ্তাহে এক সাক্ষাৎকারে পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল বলেছেন, মন্ত্রিসভায় তাঁর ভূমিকা কী হবে, তা দল ঠিক করবে।

এদিকে বেলুচিস্তান অথবা খাইবার পাখতুনখাওয়ার গভর্নরদের একজন যাতে তাদের দল থেকে নেওয়া হয়, সে দাবি জানিয়েছে জেইউআই-এফ। পাঞ্জাবের গভর্নর হবেন পিপিপি থেকে আর সিন্ধর গভর্নর হবেন এমকিউএম-পি থেকে।

বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে গত শনিবার মধ্যরাতে বিদায় নেয় ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকার। নতুন নির্বাচনের আগে জাতীয় সরকারের আদলে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিরোধী দলগুলো। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে আজ সোমবার জাতীয় পরিষদে ভোটাভুটির কথা রয়েছে।