বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখান থেকে আমি দুর্নীতিবাজ–দুর্বৃত্তদের একটি বার্তা দিচ্ছি...অভিযুক্তদের আরও শোনা উচিত—দেশের বিষয়ে তোমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না, জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে কারা পাকিস্তান শাসন করবে।’

পিটিআই সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘ষড়যন্ত্র’ করেছিল বলে ফের অভিযোগ করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ‘মীর সাদিক ও মীর জাফররা’ জড়িত ছিলেন।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন তিনি ‘ষড়যন্ত্রের’ বিষয়টি জানতে পারেন, তখন ‘যেসব লোকজন তা ঠেকাতে পারবে’, তাদের কাছে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের বলেছিলাম, এই ষড়যন্ত্র যদি সফল হয়, তাহলে বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।’

সেনাবাহিনীকে ইঙ্গিত করে ইমরান খান বলেন, ‘যারা নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে’, তাদের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে, এ কথা বলার জন্য তিনি সাবেক অর্থমন্ত্রী শওকত তারিনকে বলেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা এই ষড়যন্ত্র ঠেকায়নি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১ ডলারের বিপরীতে ২০০ পাকিস্তানি রুপি গিয়ে ঠেকছে। পুঁজিবাজারে ধস নামছে। সবকিছুর দাম বাড়ছে। সংবাদমাধ্যমের উচিত জনগণের কাছে জানতে চাওয়া জিনিসপত্রের দাম কেমন, যেভাবে আমাদের সরকারের সময় সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করা হতো।’

জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটে গত ৯ এপ্রিল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশজুড়ে একের পর এক সমাবেশ করছেন ইমরান খান। এসব সমাবেশে পিটিআই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ ছিল বলে দাবি করে আসছেন তিনি। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আদায়েরও অঙ্গীকার করেন পিটিআই চেয়ারম্যান।

তবে কবে নাগাদ নির্বাচন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। তারা নির্বাচনের আগে নির্বাচনী আইনে সংস্কার আনার কথা বলছে। সম্প্রতি লন্ডনে পিএমএল-এন সর্বোচ্চ নেতা নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেখানে নির্বাচন পেছানোর ইঙ্গিত দেন নওয়াজ।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন