অনাস্থা প্রস্তাব নাকচের পর এ ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) নোটিশ গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি। এরপর এ বিষয়ে শুনানিতে তাঁর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়।

গতকালের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়াল বলেন, নীতিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না আদালত। তাঁরা কেবল ডেপুটি স্পিকারের রুলিংয়ের ওপরই গুরুত্ব দেবেন। এর আগে বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে গোয়েন্দাপ্রধান থেকে রুদ্ধদ্বার ব্রিফিং নিতে সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি প্রস্তাব দেন পিএমএল-এনের কৌঁসুলি।

জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এখন আমরা আইন ও সংবিধানের বিষয়টি দেখছি। আমরা কেবল এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা দেখতে চাইছি, ডেপুটি স্পিকারের দেওয়া রুলিং সর্বোচ্চ আদালত পুনর্বিবেচনা করতে পারেন কি না।’

রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতির মতো নীতিগত বিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ করতে চান না জানিয়ে উমর আতা বান্দিয়াল বলেন, ‘আমরা নীতিগত বিষয়ে জড়াতে চাই না।’ আদালত কেবল সাংবিধানিক বিষয়টি দেখতে চান বলে জানান বিচারপতি ইজাজুল আহসানও।

গতকালের শুনানিতে জাতীয় পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাবের কার্যবিবরণীও চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। আজ বুধবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে গত রোববার জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে খারিজ করে দেন। এর পরপরই প্রেসিডেন্টকে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন আয়োজনের পরামর্শ দেন ইমরান খান। পুরো প্রক্রিয়া ‘অসাংবিধানিক’ দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধীরা।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন