ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে গতকাল শনিবার সকালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসে। এর মাঝে দফায় দফায় অধিবেশন মুলতবি করা হয়। রাত ১২টার অল্প কিছু সময় আগে পদত্যাগ করেন স্পিকার আসাদ কোরেশি। এরপর ডেপুটি স্পিকারও পদত্যাগের ঘোষণা দেন। দিনভর নাটকীয়তা শেষে শনিবার গভীর রাতে ভোটাভুটিতে হেরে যান ইমরান খান।

সিকিউরিটি অ্যান্ড ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির নির্দেশনায় দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্র ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা বিদেশে ভ্রমণ করতে চাইলে তাঁকে বাধা দিতে বলা হয়েছে।

ইমরান খানের জোট সরকারের পতনের পর হঠাৎ করেই পাকিস্তানি নাগরিকদের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এ কারণে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদেরও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।