বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালেবানের একটি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, আগামী সোমবার তালেবানের নিয়োগ করা কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা দায়িত্ব বুঝে নেবেন। তাঁরা ইসলামাবাদের দূতাবাস ও তিনটি কনস্যুলেটের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকাকে এখনও কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও স্বীকৃতি পায়নি তালেবান সরকার। এই কারণে সরদার আহমেদ খান শোকাইব পাকিস্তানে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের মর্যাদা পাবেন না। মেয়ের অপহরণ সংক্রান্ত ঝামেলার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে ইসলামাবাদ থেকে আফগান হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করেছিল আফগানিস্তানের পশ্চিমা সমর্থিত আশরাফ গনি সরকার।

এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, তালেবানের কাবুলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগে–পরে লাখো আফগান সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছে। এসব মানুষের চাপ সামলাতে ইসলামাবাদের আফগান দূতাবাসের কার্যক্রম গতিশীল রাখা প্রয়োজন। এজন্য তালেবানের পক্ষ থেকে দূতাবাসে নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি দেশে আফগান দূতাবাসে এমন নিয়োগ দিতে পারে তালেবান।

তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দিলেও প্রতিবেশী দেশটির ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেছে পাকিস্তান। বলা হয়ে থাকে, কাবুলের তালেবান সরকারে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও ইমরান খান সরকারের সুষ্পষ্ট প্রভাব রয়েছে। তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও আফগানিস্তানে মানবিক সংকট এড়াতে দেশটির স্থগিত করা আর্থিক তহবিল দ্রুত ছাড় করতে পশ্চিমা দেশ ও দাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন