বিজ্ঞাপন

দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রণালয়গুলোতে অর্ধেক কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছে। তবে বাড়ি থেকে যেসব কর্মকর্তা কাজ করবেন, তাঁরা চাইলে দপ্তরে একজন প্রতিনিধি রাখতে পারবেন। তিনি দপ্তরের নথিপত্র দেখভাল করবেন এবং ফোনগুলো ধরবেন।

নির্দেশনায় সব কর্মকর্তা ও কর্মীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ অসুস্থতা বোধ করলে বা করোনার উপসর্গ দেখা গেলে তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে আইসোলেশনে যাবেন। ফাইলের কাজ হবে ই-ফাইল পদ্ধতিতে। যদি প্রয়োজনে কাগজে ফাইল নিয়ে কাজ করতেই হয়, তাহলে অবশ্যই কর্মীর হাত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। যতটা সম্ভব অফিসের বৈঠকগুলো সারতে হবে অনলাইনে। অফিসে পূর্বানুমতি ছাড়া কেউ দেখা করতে পারবেন না।

পাঞ্জাব সরকারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬-৩০ বছর বয়সীদের চেয়ে ৩১-৪৫ বছর বয়সী রোগীদের অবস্থা বেশি সংকটাপন্ন। স্বাস্থ্য বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই বয়সের ব্যক্তিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান, বিভিন্ন ধরনের কাজ কিংবা ব্যবসা করেন। এর ফলে তাঁরা অনেকের সংস্পর্শে আসেন। কিন্তু তাঁরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেন না। এর মধ্য দিয়ে তাঁরা পরিবারের বাকি সদস্যদের কাছে জীবাণু বয়ে নিয়ে আসেন।

ডনের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৯৬। সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৬৩ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৯২ জনের।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন