নিহত সেনারা হলেন হাবিলদার তারিক, সিপাহি আরশাদ, কাশিফ, জুনাইদ, ইজাজ, ওয়াকাস ও জাওয়াদ মির। একটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে তাঁদের মরদেহ মিরামশাহে নেওয়া হয়।

সূত্রগুলো বলেছে, ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা হামলা চালিয়েছিলেন। তবে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেয়নি।

তিন দিন আগে দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা দেরা ইসমাইল খানে এক হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন আরও চারজন। এরপরই বৃহস্পতিবার বড় ধরনের এ হামলার ঘটনা ঘটল।

উত্তর ওয়াজিরিস্তানের অন্যান্য এলাকার চেয়ে দাতাখেল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য তুলনামূলক অভয়ারণ্য। নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত এলাকাটি সন্ত্রাসীমুক্ত করতে পারেনি। এখনো শত শত বাস্তুচ্যুত পরিবার তাদের ঘরে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের ইশাম এলাকায়। সেনা ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে সংঘর্ষে মিঞাওয়ালি এলাকার সিপাহি আসমাতুল্লাহ খান (২৮) নিহত হন। সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর এ কথা জানিয়েছে। ওই এলাকা থেকে সন্ত্রাসীদের নির্মূলে শুদ্ধি অভিযান চলছে।

এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াজিরিস্তানে তিনটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটল। গত সোমবার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি তল্লাশিচৌকিতে হামলায় সেনাবাহিনীর এক মেজর ও এক সেনা নিহত হন। ওই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই সন্ত্রাসীও নিহত হয়।

আইএসপিআরের সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে ৯৭ জন কর্মকর্তা ও সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ ৮ জন নিয়ে এ সংখ্যা ১০৫। একই সময়ে ১২৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৭০ জনকে।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন