বৃষ্টিতে সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা হয়েছে বন্দর নগরী করাচিতে। সোমবার করাচির আশপাশের এলাকাগুলো পানিতে নিমজ্জিত ছিল। সেখানে লোকজনকে হাঁটু বা কোমরপানিতে হেঁটে বা সাইকেল ঠেলে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। অনেক বাসিন্দাকে নৌকা ব্যবহার করতেও দেখা যায়।

করাচির কিছু বাসিন্দা বলেছেন, ডুবে যাওয়া রাস্তায় গাড়ি রেখে যেতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা।

লোকজনকে উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে আধাসামরিক বাহিনী ডেকেছে শহর কর্তৃপক্ষ।

default-image

পাকিস্তানে গড় বৃষ্টিপাতের তুলনায় কিছুদিন ধরে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টি হচ্ছে। জুনের মাঝামাঝিতে শুরু হয় এই ভারী বৃষ্টিপাত। শুরুতে বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে পড়ে বেলুচিস্তান প্রদেশ। এ পর্যন্ত সেখানে ৬৩ জন মারা গেছে।

সিন্ধু প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সেখানে বৃষ্টিসংশ্লিষ্ট কারণে মারা গেছেন ২৬ জন। ভারী বৃষ্টি হয়েছে রাজধানী ইসলামাবাদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পাঞ্জাবেও।

উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় বৃষ্টিপাতে ঘরে ধসে দুজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছে। নিহত দুজনের মধ্যে ছয় বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে।

প্রতিবছরই ভারী বৃষ্টিতে পাকিস্তানের অনেক শহরের রাস্তাঘাট ডুবে যায়।

পাকিস্তানে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুম। ২০১০ সালে পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা হয়। সে সময় বন্যার কারণে দেশটির দুই কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি অবকাঠামোগত বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্লাবিত হয় দেশটির এক–পঞ্চমাংশ ফসলি জমি।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন