default-image

পাকিস্তানে জিম্মির পর ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ছেড়ে দিয়েছেন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তানের (টিএলপি) কর্মীরা। এক সপ্তাহ ধরে ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভে টিএলপির সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ছয় পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। সহিংসতার জেরে ইসলামি দলটিকে এরই মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, লাহোরে টিএলপির সঙ্গে প্রথম দফা বৈঠকের পর জিম্মি পুলিশ সদস্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে সোমবার ভোরে এক ভিডিও বার্তায় জানান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রাশিদ। তিনি বলেন, টিএলপির সঙ্গে প্রথম দফা বৈঠক সফল হয়েছে। তাঁরা জিম্মি ১১ পুলিশ সদস্যকে ছেড়ে দিয়েছেন। পুলিশও তাদের অবস্থান থেকে পিছিয়ে এসেছে। টিএলপির সঙ্গে পাঞ্জাব সরকারের দ্বিতীয় দফা বৈঠকও ফলপ্রসূ হবে বলে মন্ত্রী রাশিদ জানান।    

লাহোর পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, জিম্মি কর্মকর্তাদের ছাড়িয়ে আনার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন লাহোর পুলিশের সিসিপিও গোলাম মেহমুদ দোগার। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রোববার লাহোর সিসিপিওর মুখপাত্র রানা আরিফ বলেন, টিএলপি কর্মীরা পুলিশের একজন ডিএসপির ওপর নৃশংসভাবে নির্যাতন চালিয়েছেন। তাঁকেসহ অন্য পুলিশ সদস্যদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত সোমবার লাহোর থেকে টিএলপিপ্রধান আল্লামা সাদ হুসাইন রিজভিকে গ্রেপ্তারের পরই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ফ্রান্সে ইসলামবিরোধী ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের ঘটনার জেরে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি জানান আল্লামা রিজভি। এরপর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে টিএলপি কর্মীদের সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, গত এক সপ্তাহে টিএলপি কর্মীদের হামলায় ছয়জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এক টুইট বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র ফিরদৌস আশিক আওয়ান। অন্যদিকে টিএলপি নেতাদের দাবি, সংঘর্ষে তাঁদের কয়েকজন সমর্থকও নিহত হয়েছেন।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন