default-image

চলতি অর্থবছরের প্রথম দিকে পাকিস্তান থেকে বাসমতি চালের রপ্তানি কমেছে। পাকিস্তান বলছে, ভারত কম দাম দেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ডনের আজ মঙ্গলবারের খবরে জানা যায়, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে বাসমতি চালের রপ্তানি ৩৮ শতাংশ কমেছে ও বাসমতি নয়, এমন চালের রপ্তানি ৩ শতাংশ কমেছে।

পাকিস্তানের চাল রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম পরোচা ডনকে জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চীন পাকিস্তানের বাসমতি নয়, এমন চালগুলো কিনেছে। তারাই রপ্তানিকে চাঙা রেখেছিল। পরোচা বলেন, ইউরোপের বাজারে পাকিস্তানের বাসমতি চালের চাহিদা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কাইয়ুম পরোচা আরও বলেন, ‘আমি আশা করি এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম দিকের তুলনায় পরিস্থিতি ভালো হবে। এর কারণ হলো, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। চালের দামের ওপর নির্ভর করেই এই উন্নতি হচ্ছে।’

বাসমতি চাল রপ্তানির ৪০ শতাংশ ইউরোপের বাজার দখল করেছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য দেশগুলোতেও চাল রপ্তানি হয়। বাসমতি নয়, এমন চাল চীন ও আফ্রিকার দেশগুলোতে রপ্তানি করা হচ্ছে।

পাকিস্তান বছরে ৭৪ লাখ টন চাল উৎপাদন করে। এর মধ্যে ৪০ লাখ টন চাল রপ্তানি করা হয়। বাকিটা স্থানীয় চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করা হয়।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন