বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বুধবার করাচিতে সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসান আভাস দিয়েছেন, ২০২২ বা ২০২৩ সালে বিলাওয়াল গাঁটছড়া বাঁধবেন। তিনি বলেন, বিলাওয়াল ২০২২ সালে বিয়ে করতে পারেন অথবা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (যদি নির্বাচনে জয়ী হন) হওয়ার পর ২০২৩ সালেও বিয়ে করতে পারেন।

২০২৩ সালে পাকিস্তানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় নিয়েও কথা বলেন ওয়াসান। তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সরকার গঠন করতে পারবেন না। তিনি হবেন পাকিস্তানের গর্বাচভ (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচভ।

ওয়াসানের দাবি, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন, সেভাবেই সিন্ধু প্রদেশকে চালাতে চাইছেন। পিএমএল-এন প্রধান নওয়াজ শরিফের পাকিস্তানে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে ওয়াসান বলেন, ২০২২ সালের মার্চের আগে তিনি ফিরবেন বলে মনে হয় না।

দেশের অভ্যন্তরে সারসংকট নিয়েও কথা বলেন ওয়াসান। তিনি বলেন, সার উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কাজ করে। তারাই নিজেদের পছন্দমতো প্রদেশগুলোতে বরাদ্দ বাড়িয়ে সার বিতরণের জন্য কোম্পানিগুলোকে চাপ দিয়ে থাকে। সিন্ধু প্রদেশের সারের বরাদ্দ যেন সীমা ছাড়িয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

ওয়াসান আরও বলেন, জ্বালানিমন্ত্রী হাম্মাদ আজহার পাঞ্জাবের জন্য সিংহভাগ সারের বরাদ্দ রেখে কম অংশটুকু সিন্ধুর জন্য অনুমোদন করেন। তাঁর অভিযোগ, সিন্ধু প্রদেশে সংকট তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার অন্যায্য আচরণ করছে। তিনি বলেন, ‘জানি না, সিন্ধু প্রদেশের সঙ্গে ইমরান খানের কী শত্রুতা রয়েছে। গম ও চিনির ঘাটতিতে থাকা সিন্ধুকে সারের যথাযথ ভাগ দেওয়া হচ্ছে না। সিন্ধুর ক্ষতি করা মানে কৃষকদেরই ক্ষতি করা।’

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন