বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের অভিনন্দন জানান। জনগণের কল্যাণে মন্ত্রীদের কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানিয়ে গতকাল বুধবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ডাকেন। এদিকে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি, জ্বালানি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে শাহবাজ ইমরান খান ও পিটিআই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য সবাইকে অভিনন্দন জানান।

পরে প্রধানমন্ত্রী টুইট করে বলেন, পিএমএল-এনের প্রধান নওয়াজ শরিফ ও সরকারের জোট মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করেই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। আমি আশা করি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের সমস্যার সমাধান করবেন।

তবে পিএমএল-এনের সূত্র বলছে, মন্ত্রীদের নির্বাচন ও তাঁদের পদ বণ্টন নিয়ে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। পিএমএল-এনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়ম নওয়াজ, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্তে খুশি নন। কারণ, নওয়াজ শরিফের ঘনিষ্ঠ লোকজনকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ গঠনে প্রাধান্য দেননি। সঠিক কাজে সঠিক লোক নামের যে কথা প্রধানমন্ত্রী বলছেন, মন্ত্রিসভা গঠনে সে নীতি তিনি মানেননি।

এ ছাড়া পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারেন বলে গুঞ্জন ছিল। তিনি মন্ত্রিসভায় যোগ দেননি। পিপিপির আরেক নেতা মুস্তফা নওয়াজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাঁকে অন্য মন্ত্রণালয় দিতে চেয়েছিল জোট সরকার। পিপিপি সূত্র বলছে, বিলাওয়াল যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত নওয়াজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন। মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

পিপিপির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পদ ও পাঞ্জাবের গভর্নর পদ দুটি চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জোট মিত্র বেলুচিস্তান ন্যাশনাল পার্টি (বিএনপি) ও বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির মতো দলকে মন্ত্রিসভায় স্থান না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ পিপিপি নেতারা। কারণ, এসব দলকে সরকারে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জোটে আনা হয়েছিল। পিপিপির কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি এসব দলকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, সদ্য নিয়োগ পাওয়া বেশির ভাগ মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগের মুখোমুখি হয়ে জামিনে রয়েছেন। সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী এক টুইটে বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার ২৪ জন সদস্যর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রয়েছে। সিনেটের চেয়ারম্যানের পরিবর্তে কারাগারের দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর জেনারেল মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাতে পারলে বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া যেত। এখন কেবল কুলভূষণ যাদব (ভারতীয় গোয়েন্দা) কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা সবাই বাইরে।’

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন