প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পিএমএল-এন একটি বড় সিদ্ধান্ত নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মাসে নওয়াজ পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টোর সঙ্গে লন্ডনে বৈঠক করেন। পরে বিলাওয়াল পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

নওয়াজের সঙ্গে বিলাওয়ালের বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতি প্রচার করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষমতাসীন জোটের দুই মিত্র দল ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।

৭২ বছর বয়সী নওয়াজ তিনবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ২০১৭ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কয়েক মাস কারাভোগের পর ২০১৯ সালের নভেম্বরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান নওয়াজ। তারপর তিনি আর দেশে ফেরেননি। নওয়াজ লন্ডনে স্বেচ্ছানির্বাসিত জীবন যাপন করছেন।

নওয়াজের অনুপস্থিতিতে তাঁর ছোট ভাই শাহবাজ পিএমএল-এনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে গত মাসে বিদায় নেয় ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকার। নতুন নির্বাচনের আগে জাতীয় সরকারের আদলে সরকার গঠন করে বিরোধী দলগুলো। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন পিএমএল-এনের সভাপতি শাহবাজ।

পিএমএল-এন নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পরই নওয়াজের দেশে ফেরার গুঞ্জন ওঠে। নওয়াজ যাতে দেশে ফিরতে পারেন, সে জন্য তাঁকে ইতিমধ্যে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার।

নওয়াজের সাজা বাতিল বা স্থগিত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে পাকিস্তান সরকার।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন