বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাফিজ সাঈদকে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ত্রাসে অর্থায়নের একই ধরনের এক মামলায় ২০২০ সালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিনি ইতিমধ্যে ১৫ বছরের সাজা ভোগ করছেন। তাঁর আইনজীবী নাসিরুদ্দিন নাইয়ার বলেন, সর্বশেষ সাজার বিরুদ্ধে তিনি আপিল করতে পারেন।

গত শতকে হাফিজ সাঈদকে বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার ও পরে মুক্তি দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলাসহ কোনো ধরনের সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে আসছেন তিনি। মুম্বাই হামলায় ১৬৬ জন নিহত হন, যাঁদের কয়েকজন আমেরিকান নাগরিক। সে সময় তাঁর বিষয়ে তথ্য দিতে এক কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

হাফিজ সাঈদকে গ্রেপ্তারের পর দেশজুড়ে বিস্তৃত তাঁর মসজিদ, স্কুল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য সংগঠন এবং অন্যান্য সম্পদ জব্দ করে পাকিস্তান সরকার। লস্কর-ই-তাইয়েবা কাশ্মীরে কয়েক বছর সক্রিয় ছিল। দুই দেশের মধ্যে বিভক্ত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলটিকে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে আসছে। এ নিয়ে দুবার যুদ্ধেও জড়িয়েছে দেশ দুটি।

হাফিজ সাঈদের সাজা এমন সময় ঘোষণা করা হলো যখন ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ) এর কালোতালিকা এড়ানোর চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটি সশস্ত্র সংগঠনের কাছে পাঠানোসহ অবৈধ অর্থ সরবরাহ মোকাবিলায় একটি দেশের সামর্থ্য মূল্যায়ন করে থাকে। পাকিস্তান ২০১৮ সাল থেকে ‘ধূসর তালিকায়’ রয়েছে।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন