বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৬০ বছর বয়সী মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলের কাছে ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন রাউল। জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে আসার আগে মিগুয়েল দুটি প্রদেশে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

রাউল কাস্ত্রোর বিদায়ে যে নবীন নেতারা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে আসছেন, তাঁরা অবশ্য কিউবার বিপ্লবের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। এই নবীন নেতারা এমন সময়ে নেতৃত্বে আসছেন, যখন কিউবা ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই প্রথম এতটা সংকটে পড়েছে দেশটি। এ কারণে কিউবায় এরই মধ্যে তরুণ সম্প্রদায়ের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় নেতৃত্ব বদলের মধ্য দিয়ে দেশটি সংকট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজছে।

লাতিন আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন