বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইকুয়েডরের ন্যাশনাল ব্যুরো অব প্রিজনস মঙ্গলবারের ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কারাগারে সংঘাতের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশ কর্মকর্তা জেনারেল ফাউস্তো বুয়েনানো। এদিকে কারাগারে হামলার পর সেখানকার অবস্থা এ মুহূর্তে স্থিতিশীল আছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে জানিয়েছেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলেরমো ল্যাসো।
গুয়ায়েকুইল ইকুয়েডরের প্রধান বন্দর নগর। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উত্তর আমেরিকায় বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালানের ক্ষেত্রে এই বন্দরটি একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গত সপ্তাহে গুয়ায়েকুইলের একটি কারাগার থেকেই বন্দুক, গুলি, গ্রেনেড, বিস্ফোরকসহ নানা অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবারের সংঘর্ষের সপ্তাহ দুয়েক আগে গুয়ায়েকুইলের ৪ নম্বর কারাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। কারাগারটির কর্তৃপক্ষ সে সময় এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যকার যুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করেছিল। তবে ওই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইকুয়েডরের কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের কয়েদিদের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব কয়েদিদের সঙ্গে মেক্সিকোর বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী গ্যাংয়ের যোগাযোগ রয়েছে। চলতি বছরের জুলাইতেই দেশটির দুটি কারাগারে সংঘর্ষে ২৭ কয়েদি নিহত হয়েছিলেন। এর জের ধরে সে সময় জরুরি অবস্থা জারি করেছিল ইকুয়েডর সরকার।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন