বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই ডাইনোসরের জীবাশ্ম প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন আতাকামা ডেজার্ট মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টরি অ্যান্ড কালচারের পরিচালক ওসভালদো রোজাস। এরপর চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এ নিয়ে গবেষণা চালান। দক্ষিণ গোলার্ধে উড়ুক্কু ড্রাগনের অস্তিত্বের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে অ্যাকটা প্যালিওন্টোলজিকা পোলোনিকা সাময়িকীতে।

‘উড়ুক্কু ড্রাগন’ নিয়ে গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী জোনাথন অ্যালার্কন বলেন, ‘এত দিন পর্যন্ত উড়ুক্কু ড্রাগনের বিচরণ নিয়ে যা জানা ছিল, প্রকৃতপক্ষে তাদের বিস্তৃতি ছিল আরও বেশি।’

এই আবিষ্কার থেকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের প্রাণীদের সম্ভাব্য স্থানান্তর ও সম্পর্কের সূত্রের দিকে ইঙ্গিত মেলে। এ ছাড়া এটি এমন একটি সময়ের ইঙ্গিত দেয়, যখন পৃথিবীর অধিকাংশ দক্ষিণাঞ্চলীয় ভূমি গন্ডোয়ানা নামক একটি মহাদেশে সংযুক্ত ছিল।

বিজ্ঞানী অ্যালার্কন বলেন, এসব পেরোসরের একটি গ্রুপের খোঁজ কিউবায়ও পাওয়া যায়। এগুলো দৃশ্যত উপকূলীয় প্রাণী ছিল। তাই তারা সম্ভবত উত্তর ও দক্ষিণে জায়গা বদল করে অথবা তারা এখানে একবার এসে আর ফেরত যায়নি। এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত জানি না।

চিলির বিশাল আতাকামা মরুভূমি একসময় প্রশান্ত মহাসাগরে নিচে ডুবে ছিল। এ অঞ্চলের কিছু কিছু জায়গায় কয়েক দশক ধরেও বৃষ্টিপাত হয়নি। জীবাশ্ম অনুসন্ধানকারীদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা। মরুভূমির অনেক জায়গায় এখনো স্পর্শ পড়েনি। মরুভূমি পৃষ্ঠের নিচেই রয়েছে অনেক জীবাশ্ম।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন