বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইএনপিইর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১২ হাজার ২৩৫ বর্গকিলোমিটার বনভূমি উজাড় হয়েছে। ২০০৬ সালের পর থেকে এটিই সর্বোচ্চ বনাঞ্চল ধ্বংসের ঘটনা।

সদ্য প্রকাশিত এ তথ্যকে ব্রাজিলের জন্য একটি ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির পরিবেশমন্ত্রী জোয়াকিম লেইট। বন উজাড়সংক্রান্ত অপরাধ দমাতে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে বলে মনে করছেন তিনি। জোয়াকিম লেইট এ–ও বলেছেন, ইএনপিইর তথ্যে ব্রাজিলের গত কয়েক মাসের পরিস্থিতি উঠে আসেনি।

ব্রাজিলে বনভূমি ধ্বংস বেড়েছে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর আমলে। আমাজনে বন কেটে চাষাবাদের ওপর জোর দিয়ে আসছেন তিনি। তৎপর হয়েছেন এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদ আহরণের বিষয়েও।

বন উজাড় প্রসঙ্গে ইএনপিইর সঙ্গেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বলসোনারো। ২০১৯ সালে তিনি অভিযোগ আনেন, ইএনপিই ব্রাজিলের সুনাম নষ্ট করছে।

তবে জলবায়ু সংকট রোধে সদ্য সমাপ্ত কপ ২৬ সম্মেলনে অবশ্য সুর বদলেছে বলসোনারো সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় পুরোপুরি বন্ধ করতে এক চুক্তিতে সই করেছে ব্রাজিলসহ একাধিক দেশ। বন উজাড়ের ক্ষতি সামলাতে নতুন করে বনাঞ্চল গড়ে তুলতেও সমঝোতা হয়েছে সেখানে।

জলবায়ু সম্মেলনের ওই চুক্তিতে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি তহবিল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বনাঞ্চল আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে, দাবানল মোকাবিলায় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ওই তহবিলের একাংশ খরচ করা হবে।

লাতিন আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন