বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এএফপির খবরে বলা হয়েছে, বেইরুত পরিবারের জন্য অগ্নিপরীক্ষার দিনটি ছিল ১১ জুলাই। কারণ, ওই দিন ৪১ বছর বয়সী এজেইন্ত বেইরুতকে গুয়ান্তানামো থেকে আটক করা হয়। কিউবা সরকারের দমন–পীড়ন ও জীবনমান উন্নয়নের দাবিতে ওই দিনই মূলত বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

এ ঘটনা এজেইন্তের বাবা ফ্রেডি (৬৪) ও তাঁর বোন কাতিয়া (৩৬) যখন জানেন, তখন তাঁরাও বিক্ষোভে। এজেইন্তের বাবা ও বোন হাভানার কাছাকাছি লা গুনিয়েরায় বিক্ষোভ যোগ দিয়েছিলেন। লা গুনিয়েরার বিক্ষোভ ছিল সহিংস। সেখানে একজন মারাও যান।
ফ্রেডির সাবেক স্ত্রী জোলিয়া রদ্রিগেজ বলেন, ওই দিন ফ্রেডিকে গ্রেপ্তার করা হয়। যখন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তিনি বাড়ি ফিরছিলেন মোটরসাইকেলযোগে।

এর সাত দিন পর আরেকটি ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা বাহিনী ডেকে পাঠায় কাতিয়াকে। ধারণা ছিল, তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। কাতিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এ বিক্ষোভের ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করেছেন, এ ভিডিও প্রকাশ করেছেন এবং বিক্ষোভকারীদের উসকে দিয়েছেন। কাতিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্রে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

কিউবার মানবাধিকার সংগঠন কিউবালেক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাতিয়া ও তাঁর বাবা ফ্রেডির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁরাসহ ১৫৮ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়।

কাতিয়া ও ফ্রেডির সাজাও ইতিমধ্যে হয়েছে। তাঁদের ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জোলিয়া রদ্রিগেজ বলেন, ‘আমার মেয়ের বাবা যখন কারামুক্ত হবেন, তখন তিনি হয়তো আর জীবিত ফিরবেন না। কারণ, তাঁর বয়স এখন ৬৪ বছর।’

এজেইন্ত বেইরুতেরও সাজা হয়েছে। তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে চার বছর। কিউবালেক্সের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ১১ ও ১২ জুলাইয়ের এ বিক্ষোভ থেকে ১ হাজার ৩৫৫ জনকে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১৯ জন এখনো কারাগারে।

লাতিন আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন