বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুধু বিক্ষোভই না, বলসোনারোকে অভিশংসনের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শতাধিক আবেদন করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে তদন্তের অনুমোদনও দিয়েছেন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ আদালত। তবে নিজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই মানতে নারাজ বলসোনারো।

এদিকে গতকালের বিক্ষোভ বলসোনারোর বিপক্ষে গেলেও গত মাসেই কিন্তু ঘটেছিল বিপরীত ঘটনা। সেপ্টেম্বরে একাধিক সমাবেশে অংশ নেন প্রেসিডেন্টের সমর্থকেরা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বলসোনারোর ডাকে যে এখনো অনেক মানুষ সাড়া দেন, তা বোঝাতেই ওই সমাবেশগুলোর আয়োজন করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী লুইজ ইন সিও লুলার কাছে জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন বলসোনারো। জনসমর্থনের মাপকাঠিতে বর্তমান প্রেসিডেন্টের চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন লুলা।

আগামী বছরের অক্টোবরের দিকে ব্রাজিলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ব্রাজিল সরকারের জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি জরিপ করেছে অ্যাটলাস ইনস্টিটিউট। সেখানে দেখা গেছে, এ মুহূর্তে ব্রাজিলের ৬১ শতাংশ বাসিন্দা মনে করেন, দেশ পরিচালনায় বলসোনারো সরকারের কর্মকাণ্ড একেবারেই সন্তোষজনক নয়। এর আগে ২০১৯ সালে ক্ষমতায় বসায় সময় বলসোনারোর বিপক্ষে ছিলেন ২৩ শতাংশ মানুষ।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন