বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুডেকের তথ্য অনুযায়ী, দুর্গত এলাকার ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৫৮০ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছে, আর অপর ১৬ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়। ভারী বর্ষণের কারণে গত শনিবার রাতে ইতাম্ব শহরের একটি বাঁধ ভেঙে পড়ে। সেখানে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গতকাল রোববার বাহিয়া রাজ্যের গভর্নর রুই কস্তা উড়োজাহাজে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। বাহিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে বন্যায় এত বেশিসংখ্যক শহর ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা দেখেছি বলে মনে পড়ে না। বাড়িঘর আর সড়ক সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, খুব ভয়ংকর।’

বন্যায় পানিবন্দী হয়ে পড়া হাজারো মানুষকে উদ্ধারে শনিবার থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের জরুরি সেবা বিভাগগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। গতকাল বাহিয়ার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, রাজ্যের দক্ষিণে নদীর পানিতে ডুবে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

ইতিমধ্যে নতুন করে আরও কয়েকটি পৌরসভায় জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়েছে। সুডেকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দুপুর নাগাদ এ পর্যন্ত ৭২টি পৌরসভায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৫৮টি বন্যাদুর্গত এলাকা।

লাতিন আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন