default-image

অ্যান্টার্কটিকায় স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার রাতে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর সুনামি সতর্কতা জারি করে চিলি সরকার। সতর্কতায় উপকূলীয় এলাকা থেকে লোকজনকে সরে যেতে বলা হয়। এতে লোকজনের মধ্যে দেখা দেয় আতঙ্ক। তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা ভুলক্রমে ওই সুনামি সতর্কতা জারি করে। এ ঘটনায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেওয়ায় দুঃখিত তারা। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

চিলির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টুইটে বলেছে, ও’হিগিনস চিলিয়ান সায়েন্টিফিক ঘাঁটি থেকে ২১৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে গতকাল রাত ৮টা ৩৬ মিনিটে ওই ভূমিকম্প আঘাত হানে। তখন সুনামির আশঙ্কায় অ্যান্টার্কটিকার উপকূলীয় অঞ্চল থেকে লোকজনকে অন্যত্র সরে যেতে বলা হয়। সারা দেশের লোকজনকে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে উপকূলীয় এলাকায় না যাওয়ার অনুরোধও জানানো হয়। তবে পরে মন্ত্রণালয় বলেছে, ভুলক্রমে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

বিশ্বে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর অন্যতম চিলি। ২০১৭ সালে দেশটিতে ৮ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের রেকর্ড ছিল চিলিতে ১৯৬০ সালে। সে বছর ৯ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে পাঁচ হাজারের বেশি লোক মারা যান।

চিলির জাতীয় জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা মিগুয়েল ওরতিজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই। বলতে চাই, শুধু অ্যান্টার্কটিকা ঘাঁটি ছাড়া লোকজনকে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরও বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশজুড়ে ওই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এতে লোকজনের অসুবিধা সৃষ্টি হওয়ায় তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করছেন।

বিজ্ঞাপন

পরে অ্যান্টার্কটিকা ঘাঁটি এলাকা থেকেও সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। এর আগে সতর্কবার্তা পেয়ে সান্তিয়াগোর উত্তরে লা সেরেনাসহ বিভিন্ন উপকূলীয় শহর থেকে আতঙ্কিত লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে চলে যাওয়া শুরু করে। লোকজন যখন বাড়িঘর ছেড়ে যাচ্ছিল, তখন চিলি ও আর্জেন্টিনা সীমান্তে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার আরেক ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে এসব ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্বে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর অন্যতম চিলি। ২০১৭ সালে দেশটিতে ৮ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের রেকর্ড ছিল চিলিতে ১৯৬০ সালে। সে বছর ৯ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে পাঁচ হাজারের বেশি লোক মারা যান।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন