বিজ্ঞাপন

বলসোনারো আরও বলেন, যাঁরা করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন কেবল তাঁদের জন্যই কোয়ারেন্টিন প্রয়োজন।

করোনার সংক্রমণ রোধে বলসোনারো বরাবরই লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিরোধী। সংক্রমিত দেশের তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান দ্বিতীয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্সেলো কোয়েরোগা বলেছেন, ব্রাজিলে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে বলসোনারো তাঁকে একটি জরিপ চালাতে বলেছেন। মাস্কের ব্যবহার নিয়ে বলসোনারোর সঙ্গে একমত নন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোয়েরোগা। তিনি মনে করেন, করোনার সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি। করোনা চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্লোরোকুইন ব্যবহারও সমর্থন করেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সাপ্তাহিক এক বিবৃতিতে সমর্থকদের উদ্দেশে বলসোনারো ক্লোরোকুইন ব্যবহারের পক্ষে কথা বলেন। তিনি বলেন, ক্লোরোকুইনের ব্যবহার ব্রাজিলে করোনায় মৃত্যুর হার কমাতে সহায়তা করেছে।

করোনায় মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ব্রাজিলের অবস্থান। দেশটিতে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে ৪ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ব্রাজিলে টিকাদান কর্মসূচিও ধীরগতিতে চলছে। অভিযোগ রয়েছে, বলসোনারো সময়মতো টিকা সরবরাহ করেননি।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন