বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুধবার ফোনালাপের পর প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে দুই দেশের প্রেসিডেন্ট দেখা করতে রাজি হয়েছেন। ফোনালাপে বাইডেন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ফ্রান্স ও ইউরোপীয় দেশগুলোর তৎপরতার কৌশলগত গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যকার অভিন্ন লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া এবং দুই দেশের আস্থা নিশ্চিত করতে বাইডেন ও মাখোঁ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় যে তিক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তারও অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে। আগামী সপ্তাহেই দেশটিতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতেরা ফিরে যাবেন বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তির ফলে মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের যে টানাপোড়েন চলছে তা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উন্নতি করা সম্ভব বলে মনে করছেন বাইডেন ও মাখোঁ।

গত সপ্তাহের নিরাপত্তা চুক্তির জেরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্ক বেশ তপ্ত হয়ে ওঠে। প্যারিস অভিযোগ করে, গোপনে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সঙ্গে চুক্তি করেছে ক্যানবেরা। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান এই চুক্তিকে বিশ্বাসঘাতকতা এবং পেছন থেকে ছুরিকাঘাত বলে মন্তব্য করেন। চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সবকিছুর মধ্যে কয়েক দিন আগে দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপের প্রস্তাব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েই বুধবারের ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয় দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন