যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনায় তিন মুসলিম শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী দাবি করেছেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধের জের ধরে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।
অভিযুক্ত ক্রেইগ হিকসের স্ত্রী কারেন হিকস বলেন, তিনি এ ঘটনায় ‘প্রচণ্ড মানসিক আঘাত’ পেয়েছেন। তবে তাঁর স্বামী ক্রেইগের সঙ্গে সব ধর্মেরই অনেক প্রতিবেশীর গাড়ি পার্ক করা নিয়ে বিরোধ ছিল।
গত মঙ্গলবার নর্থ ক্যারোলাইনার চ্যাপেল হিল শহরের একটি বাড়ি থেকে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডেহ বারাকাত, তাঁর স্ত্রী ইউসোর মোহাম্মদ আবু-সালহা এবং ইউসোরের বোন রাজন মোহাম্মদ আবু-সালহার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওই ব্যক্তিদের পরিবারের অভিযোগ, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা থেকেই ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত দুই বোনের বাবা মোহাম্মদ আবু-সালহা বলেন, আগে বার দু-এক তাঁর মেয়ের সঙ্গে হিকসের খিটিমিটি হয়েছিল। হিকস বেল্টে বন্দুক ঝুলিয়ে রেখে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তাঁর মেয়ে ও জামাই হিকসের সান্নিধ্যে অস্বস্তি বোধ করলেও তিনি এতদূর এগোবেন, তা তাঁরা ভাবতে পারেননি।
গত বুধবার কারেন হিকস সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাঁর স্বামী বিশ্বাস করেন সবাই সমান। তুমি কে বা তুমি দেখতে কেমন বা তুমি কোন ধর্মে বিশ্বাস করো—সেটা কোনো ব্যাপার না।’

বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন