ট্রাম্প বলেন, ‘আমি টুইটারে ফিরছি না। আমি ট্রুথে থাকব।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, ইলন টুইটার কিনছেন। কারণ, তিনি মাধ্যমটির উন্নতি করবেন। তিনি একজন ভালো মানুষ। তবে আমি ট্রুথে থাকব।’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে গত বছরের ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের উসকানিতে তাঁর উগ্র সমর্থকেরা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবনে (ক্যাপিটল হিল) রক্তক্ষয়ী হামলা চালান। এ হামলার ঘটনার পর ট্রাম্পকে টুইটারে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

তখন টুইটারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ট্রাম্পের টুইটগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে তাঁর অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের টুইট আরও সহিংসতা উসকে দিতে পারে, এমন আশঙ্কার কারণেই তাঁর অ্যাকাউন্টটিকে স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

টুইটারে ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। কেউ কেউ এ সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন। কেউ করেন সমালোচনা।

টুইটারের পাশাপাশি ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামেও নিষিদ্ধ হন ট্রাম্প। নিষিদ্ধের আগে টুইটারে ৮ কোটি ৯০ লাখ, ফেসবুকে ৩ কোটি ৩০ লাখ ও ইনস্টাগ্রামে ২ কোটি ৪৫ লাখ অনুসারী ছিল ট্রাম্পের।

টুইটার-ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে নিষিদ্ধ হয়ে ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ নামের নিজস্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্ক আনার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ (টিএমটিজে) ট্রুথ সোশ্যাল নামের এই সামাজিক নেটওয়ার্ক পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন