বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রয়টার্সের কাছে তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পেন্টাগন। তবে আফগানিস্তান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে এমনটি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র।

ওই মুখপাত্র বলেন, শনাক্তকরণ–সংক্রান্ত তথ্য সংশোধনের জন্য কিছু প্রতিবেদন সরকারি নথি থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করা হয়েছিল। এ ছাড়া মার্কিন সরকারের হয়ে কাজ করা আফগানিস্তানের বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় গোপন রাখার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবেদনগুলো আবার ফিরিয়ে আনার এখতিয়ার রয়েছে এসআইজিএআরের।
গোপন করা ওই প্রতিবেদনগুলো নিয়ে এসআইজিএআর কর্মকর্তা জন সোপকো বলেন, তালেবানের কাবুল দখলের পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তাকারী আফগানদের নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে কিছু প্রতিবেদন সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেলতে বলা হয়।

সোপকো অভিযোগ করেন, ওই প্রতিবেদনগুলো কোন ধরনের হুমকির কারণ হতে পারে, সে সম্পর্কে জানাতে পারেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তাঁকে অনলাইনে প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশ নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ ধরনের অনুরোধগুলোর কয়েকটি খুবই ‘অদ্ভুত’ ছিল বলে উল্লেখ করেছেন জন সোপকো। এর মধ্যে একটি ছিল প্রতিবেদন থেকে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির নাম বাদ দেওয়া। এ নিয়ে পরে এক যাচাই–বাছাই শেষে মাত্র চারটি বিষয় সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে দেখতে পায় এসআইজিএআর। আর বাকি তথ্যগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিল।

জন সোপকো বলেছেন, মার্কিন–সমর্থিত আফগান সরকার ও সামরিক বাহিনীর ব্যর্থতা নিয়ে তদন্ত করতে কংগ্রেস তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি আরও জানান, ২০১৫ সাল থেকেই আফগানিস্তান–সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে পেন্টাগন এবং এসবের বেশির ভাগই করা হয়েছে সাবেক গনি সরকারের অনুরোধে।

সোপকো মনে করেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী আদতেই একটি সত্যিকারের বাহিনী ছিল নাকি পুতুল বাহিনী, সেটি নির্ণয়ের জন্যই এসব তথ্য জানা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন