বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা মঙ্গল গ্রহে নভোচারী পাঠানোর আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবীদের আবেদন করার এই সুযোগ দিচ্ছে। মার্স ডুনে আলফায় এক বছরের এই মিশনে চারজন থাকতে পারবেন, গত শুক্রবার থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে।

গতকাল স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নাসার প্রধান বিজ্ঞানী গ্রেস ডগলাস বলেন, ‘আমরা মঙ্গল গ্রহের বাস্তব চিত্র বুঝতে চাই, মানুষ সেখানে গিয়ে কীভাবে কাজ করবে, সেটা আমাদের বোঝা প্রয়োজন। এ জন্য আবেদনকারীকে বিজ্ঞান, প্রকৌশল কিংবা গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে, থাকতে হবে বিমান চালানোর অভিজ্ঞতাও।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অথবা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসরত অধিবাসীরাই স্বেচ্ছাসেবী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ জন্য বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ থেকে ৫৫ বছর। আবেদনকারীকে অবশ্যই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। খাদ্যাভ্যাসে কোনো বাছবিচার থাকা চলবে না এবং মোশন সিকনেস থাকা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিস্টনে জনসন মহাকাশ সেন্টার ভবনের ভেতর ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট মঙ্গলের আদলে তৈরি স্থাপনাটি থ্রিডি প্রিন্টারের মাধ্যমে নির্মাণ করা করা হয়েছে। সেখানে কোনো জানালা থাকবে না, এ ছাড়া আবেদনকারীকে মহাকাশে উপযোগী খাবারে অভ্যস্ত হতে হবে। মঙ্গল মিশনের অংশ হিসেবে মহাশূন্যে হাঁটা, পরিবারের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ, নিয়ন্ত্রিত খাবার ও সুযোগ-সুবিধা এবং যন্ত্রপাতি কম ব্যবহার করতে হবে। এই ধরনের তিনটি মিশনের পরিকল্পনা করছে নাসা, যার প্রথমটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা।

কানাডার নভোচারী ক্রিস হাডফিল্ড বলেন, নভোচারী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে এমন কাউকেই নাসা খুঁজছে। এটা বেশ ভালো একটা অভিজ্ঞতা হবে, যদি তারা মঙ্গলে যাওয়া নভোচারীদের মতো হয়। তিনি আরও বলেন, এর আগে মার্স-৫০০ নামে রাশিয়ার মিশন ভালোভাবে শেষ হয়নি। এর অন্যতম কারণ ছিল ওই মিশনে সাধারণ মানুষ অংশ নিয়েছিল।

তবে নাসার এই মিশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলে কী পরিমাণ টাকা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন